পিকনিকের মরশুম এবং যত্রতত্র আবর্জনা
শীত পড়তেই পিকনিকের মরশুম শুরু হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বা জেলাগুলিতে পিকনিক করার ভিড়। জমজমাট তার আয়োজন। বেশ কিছু পিকনিক স্পট রয়েছে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে। পাশাপাশি পর্যটন ক্ষেত্রগুলিতে মানুষের ভিড় দেখা যায় বেশি করে এই শীতের মরশুমে। পিকনিক স্পট বা পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে বর্জ্য আর আবর্জনা সমস্যা পরিবেশের পক্ষে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজ্যের কয়েকটি জেলায় জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ও পিকনিক করার স্থান রয়েছে। কতো তার নাম করবো। দীঘা,মন্দারমণি ,মাইথন,বসিরহাট,টাকি ও সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা সহ ছোট-বড় বহু পর্যটন কেন্দ্র বা পিকনিক স্পটগুলিতে শীতের শুরু থেকেই মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।
মানুষের সচেতনতার অভাবে আপনি দেখবেন,যত্রতত্র আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। যাবতীয় আবর্জনার স্তুপও আপনার নজরে পড়বে।
ভ্রমণ করার সময় নানা ধরণের খাবারের প্যাকেট,চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিকের জলের বোতল নদী বা জলাশয়ে ফেলা হয়। অনেক স্থানে পর্যটকরা সমুদ্র বা নদীর তীরে বসে সূর্যোদয় বা সূর্যাস্ত দেখে থাকেন। তাঁদের কথা ভাবুন। সুন্দরবনের বেড়াতে গিয়ে জলে খাবারের প্যাকেট ও প্লাস্টিকের বোতল নিক্ষেপ করতেও অনেককে দেখা যায়। চারিদিকে এই সব বোতল আবর্জনা ফেলার ছবিটা দেখে আপনি অবাক না হয়ে পারবেন না। এবার শুনুন,পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের কথা। পরিবেশবিদরা বলছেন,একদিকে পরিবেশ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তেমনি দীর্ঘদিন পড়ে থাকা পচা আবর্জনা থেকে মানুষের স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি হচ্ছে। আপনি তা উপলব্ধি করতে পারছেন। সুতরাং সতর্ক হোন। আপনি যেমন পরিবেশ বাঁচানোর তাগিদ অনুভব করবেন। তেমনি মানুষকে সচেতন করবেন। এটা আপনার সামাজিক দায়িত্ব এটা মাথায় রাখবেন। (সংগৃহীত ছবি)

